ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি?আপনার কি উচিত ব্লগিং কে প্রফেশন হিসেবে গ্রহণ করার?

ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ কি?আপনার কি উচিত ব্লগিং কে প্রফেশন হিসেবে গ্রহণ করার?

হয়তো আপনি সবে মাত্র একটি ব্লগ শুরু করতে যাচ্ছেন।ভাবছেন আদেও কি ব্লগিং একটি লাভজনক ক্যারিয়ার হবে আপনার জন্য?

আজকের এই প্রশ্নের উত্তর সবিস্তারর আপনাকে দেব এই ব্লগ পোস্ট এর মাধ্যমে।

তোমাদের মনে ব্লগিং নিয়ে অনেক প্রশ্ন আসে?
যেমন

১.আগামী ১০ বছর এ ব্লগিং কোথায় যাবে?

২.আমি কি ব্লগিং কে ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে পারবো?

৩. ব্লগিং কি একটি লাভজনক ব্যবসা হবে?

৪.এখন এত বেশি ওয়েবসাইট ব্লগ আছে।তার মধ্যে আমি কি এখন শুরু করে আর সফল হতে পারবো?

৫.ব্লগিং থেকে কেমন টাকা আয় করা যেতে পারে?

এছাড়াও হাজার হাজার কোশ্চেন ব্লগারদের মধ্যে আছে তার সমস্ত উত্তর আজকের এই ব্লগ পোস্টে তোমরা পেয়ে যাবে।

ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ সত্যিই সত্যিই ভবিষ্যৎ সত্যিই সত্যিই খুবই উজ্জ্বল এবং আগামী ১০ বছরে ব্লগিং আরো আরো জনপ্রিয় হতে চলেছে এবং ব্লগিংকে একটা ভালো কেরিয়ার অপশন হিসাবে হিসাবে অপশন হিসাবে হিসাবে কেরিয়ার অপশন হিসাবে হিসাবে অপশন হিসাবে হিসাবে অবশ্যই নেওয়া যেতে পারে।

হ্যাঁ অবশ্যই ব্লগিং এর ধরন পাল্টে গেছে পাল্টে গেছে ধরন পাল্টে গেছে পাল্টে গেছে গেছে ব্লগিং এর ধরন পাল্টে গেছে পাল্টে গেছে ধরন পাল্টে গেছে পাল্টে গেছে গেছে আগের মত এত সহজ ব্লগিং আর নেই আর নেই প্রচুর কম্পিটিশন এসেছে কিন্তু ব্লগিং এর এর জনপ্রিয়তা এখনো একই আছে তোমাকে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে গেলে স্ট্রাটেজি পাল্টাতে পাল্টাতে হবে নতুনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে শুধুমাত্র গাদা গাদা ব্লগপোস্ট করে গেলাম তাতে কোন লাভ হবে না না লাভ হবে না আমি আরো ডিটেইলসে ব্লগিং নিয়ে বলতে যাচ্ছি।

বর্তমানে সারা পৃথিবীতে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন উপর ব্লগ আছে এবং ভবিষ্যতে এই নাম্বারটা খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যাবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না ব্লগিং কোন সোশ্যাল মিডিয়ার মতো না যে একটা আসলে না যে একটা আসলে আরেকটা নষ্ট হয়ে যাবে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটা ব্রান্ড তৈরি করতে পারবেন করতে পারবেন ব্লগিং হলো একটা ব্রান্ড একটা কোম্পানি তৈরি করা একটা কোম্পানি একটা ব্রান্ড একটা কোম্পানি তৈরি করা।

প্রথম প্রশ্ন ব্লগিং কি পরবর্তী ১০ বছর টিকে থাকবে?

এর সহজ উত্তর হল ২০১০সালে যখন ব্লগিং শুরু হয়েছিল তখন সবাই ভেবেছিল যে দুই হাজার কুড়ি হাজার কুড়ি সালের মধ্যেই ব্লগিং শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু দুই হাজার কুড়ি সালে এসে ব্লগিং আরো বেশি  জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ব্লগিংয়ের মাধ্যমে তোমার মূল লক্ষ্য এটাই হবে যে তোমার অডিয়েন্স কে প্রচুর ভ্যালু দাও। তাহলে তারা তোমার ব্লগ পোস্ট পড়বে সবসময় মনে রাখবে যতই ভিডিও কনটেন্ট বাড়ুক না কেন ব্লগিং এর ডিমান্ড  সব সময় থাকবে কারণ জনগণের একাংশ পড়তে ভালোবাসে থাকবে।

উদাহারণ :

বিশেষ করে যারা একটু বয়স্ক তারা এখনো গল্প কবিতা প্রবন্ধ পড়েন। সুতরাং কেউ বাংলা সাহিত্য নিয়ে ব্লগিং শুরু করলে তার অডিয়েন্স অবশ্যই থাকব।

মাইক্রো টপিক ব্লগিং

যখন ব্লগিং শুরু হয়েছিল তখন একটা ওয়েবসাইটে সব ধরনের কনটেন্ট থাকতো যার যা ইচ্ছে সেটাই পাবলিশ করত কিন্তু এখন এই ৫০০ মিলিয়ন ওয়েবসাইটের ভিড়ে তোমার ওয়েবসাইট স্ট্যান্ড আউট হতে গেলে তোমাকে একটা অতি নির্দিষ্ট টপিক নিয়েই কেবল আলোচনা করতে হবে।

তুমি সব টপিক নিয়ে ব্লগ কখনোই লিখতে পারো না।  চেষ্টা করো যাতে একদম মাইক্রো টপিক নিয়ে তোমার ব্লগ লেখা হয় তাহলে তুমি কম্পিটিশন কে সহজেই হারাতে পারবে এবং আজকের দিনে এবং ভবিষ্যতে ১০ বছরে ব্লগিং এর মূল চাবিকাঠি মাইক্রো টপিকের উপর কনটেন্ট।

উদাহারণ :

যেমন কেউ আগে হেলথ টপিকের উপর ব্লগ বানালে ট্রাফিক পেয়ে যেত। কিন্তু এখন হেলথ এর মধ্যে ছোট ছোট টপিক যেমন ডায়বেটিস , স্কিন , চুল , ব্রণ এরকম প্রতিটা টপিক এর উপর আলাদা আলাদা ব্লগ বানাতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ে ব্লগে কেবলমাত্র ওই টপিক ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না।

স্কিন নিয়ে ব্লগে স্কিনের বিভিন্ন রোগ ও স্কিন কেয়ার ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না।

 ব্লগিংয়ে ভবিষ্যতে কি কি পরিবর্তন আসতে চলেছে?

ব্লগ এখন আগের মতো আর এক নেই ,আগামী ১০ বছরে ব্লগিংয়ে অনেক পরিবর্তন আসতে চলেছে। তোমাকে নতুন নতুন টেকনিক শিখতে হবে।

তার মধ্যে সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট হলো রাইটিং স্কিল ,

এমনভাবে লিখতে হবে যাতে বোঝা যায় না যেটা এটা একটা সেল স্ক্রিপ্ট। এবং প্রচুর পরিমাণে হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

ব্লগের সঙ্গে সঙ্গে ইউটিউব ভিডিও এবং পডকাস্ট ও নানা প্রকার চিত্র অ্যাড করতে হবে ব্লগে  যাতে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স খুব ভালো হয়।

এবার আসি দ্বিতীয় প্রশ্ন ব্লগিংকে কি ক্যারিয়ার হিসাবে নেওয়া যাবে ?

আমার উত্তর হলো হ্যা ব্লগিং থেকে মাসে ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ এমনকি অনেকে কুড়ি লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে।

আগামী চার পাঁচ বছরে ব্লগিং এর ডিমান্ড আরো বাড়বে তাই ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া টা একটা দারুণ সুযোগ আছে।

এবার ব্লগিং ভবিষ্যতে অনেকটাই পরিবর্তন হতে চলেছে কারণ ভিডিও কনটেন্ট প্রচুর পরিমাণে বাড়তে চলেছে তাই জন্য তোমাকে ব্লগিং এর পাশাপাশি ভিডিও কনটেন্ট এবং পডকাস্ট এ জোর দিতে হবে। তোমাকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপটুডেট করতে হবে তাহলেই ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফলতা পাবে।

সবথেকে বড় কথা ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে গেলে তোমাকে প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করতে হয় না সামান্য কিছু টাকা দিয়ে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে তুমি ব্লগিং শুরু করতে পারো।

এবং ব্লগিং এর সফলতা পেতে গেলে যেটা সবথেকে বেশি প্রয়োজন সেটা হল পরিশ্রম এবং তাড়াতাড়ি শেখা যে কি কাজ করে এবং কি কাজ করে না তাহলে তুমি ব্লগিংয়ে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে প্রফিট আয় করতে পারবে।

তারপর আসে তৃতীয় প্রশ্নে ব্লগ কি একটি লাভজনক ব্যবসা ?

এর উত্তর হলো হ্যাঁ। অবশ্যই ব্লগিং শুরু করতে খুবই কম পয়সার প্রয়োজন হয়.

অন্য সমস্ত ব্যবসার মতো প্রচুর বিনিয়োগ করতে হয় না। সামান্য ৬০০-৭০০ টাকার ডোমেইন এবং দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে হোস্টিং কিনে খুব সহজেই আপনি শুরু করতে পারবেন।

এবং শুরু করা প্রায় ছয় মাসের মধ্যে আপনি যদি প্রতিদিন পরিশ্রম করে কাজ করেন তাহলেই ভালো জায়গায় পৌঁছে যাবেন এবং এমন একটা ইনকাম করবেন যেটা অনেক গভমেন্ট জব করেও পারে না।

তাই ব্লগিং খুবই ইজি এবং ভালো একটা ব্যবসা বলা যায় এখানে আপনাকে বেশি টাকা ইনভেস্ট না করতে হলেও  আপনার সময় এবং পরিশ্রম দুটোই বেশি করে ইউজ করতে হবে। যদি আপনি পারেন তাহলেই ব্লগিং একটা সফল ব্যবসায়ী রূপান্তরিত হবে

তারপরে প্রশ্ন হল এতগুলো ওয়েবসাইট আছে আমি এখন শুরু করে কি সফলতা পাব ?

“একটা প্রবাদ আছে যে সব থেকে ভালো সময় একটা গাছের বীজ রোপন করার এক হলো ২০ বছর আগে আর দ্বিতীয় বেস্ট সময় হলো এখন।”

এ ব্যাপারে বলি এটা তোমার দোষ নয় যে তুমি দেরি করে শুরু করেছে কিন্তু তুমি যদি দেরি করে শুরু করে পরিশ্রম না করো তাহলে সেটা তোমার দোষ।

দেরি করে শুরু করতে কোন অসুবিধা নেই তোমার হাতের লেখা সম্পূর্ণ আলাদা তোমার বোঝানো ধরন সম্পূর্ণ আলাদা তাই তুমি যদি আজকে থেকে ব্লগিং শুরু করো এবং একটা ভালো অডিয়েন্স তৈরি করতে পারো তাহলে।

তোমারই লাভ হবে সবসময় মনে রাখবে শূন্য থেকে এক বড় এর মানে কি এর মানে হলো সারাদিন বসে থাকার থেকে একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ব্লগিং করা অনেক ভালো।

অনেক কম্পিটিশন আছে কিন্তু তুমি যদি সঠিকভাবে ৬ মাস টানা পরিশ্রম করতে পারো তাহলে অবশ্যই ব্লগিংয়ের সফলতা পাবে এবং এখন শুরু করো বা আগামী বছর শুরু করো সেটা কোন ম্যাটার করে না যেটা ম্যাটার করে সেটা হল তোমার পরিশ্রম তোমার শেখার স্পিড কতটা এবং তুমি কতটা ভালো ভ্যালু প্রোভাইড করতে পারছো।

এবার আসি সবার জন্য ব্লগিং স্টার্ট করতে চায় তার প্রশ্ন ব্লগিং থেকে কত টাকা আয় করা যেতে পারে ?

একটা কথা বলে দিই তুমি যদি ব্লগিং করতে আসে শুধুমাত্র টাকার জন্য তাহলে তুমি ব্লগিং এ  কোনদিন সফল হতে পারবে না। কারণ ব্লগ একদিনের জিনিস না।  এটা এক বছর দু বছর তিন বছর ১০ বছরের জিনিস।

তাই আজকে থেকে শুরু করে কালকে থেকে আয় করব এই মনোভাব নিয়ে কেউ কোনদিন ব্লগিং এর সফলতা পায় না।  তারমানে কি ব্লগিংয়ে আয় করা যায় না ?

অবশ্যই যায় এমন অনেক ব্লগার আছে যারা প্রতিমাসে ১০ লক্ষ থেকে কুড়ি লক্ষ টাকা আয় করে শুধুমাত্র ব্লগিং করে এবং তারা সারা পৃথিবী ঘুরছে শুধুমাত্র ব্লগিং এর উপর নির্ভর করে।

তাহলে তাদের মধ্যে আর আমাদের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায় ?

তারা অভিয়াসলি তাড়াতাড়ি শুরু করেছে সেটা একটা বড় ডিফারেন্স।

কিন্তু এখন শুরু করেও ব্লগিংয়ের সফলতা পাওয়া যাবে শুধু দরকার ধৈর্য তুমি আজ থেকে শুরু করে সবার প্রথমে একটা ভালো অডিয়েন্স তৈরি করো প্রথম ছয় মাসে কোন টাকা আয় হবে না।

প্রথম ছয় মাসে শুধুমাত্র অডিয়েন্স তৈরি করো তারপর দেখো প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা থেকে  ১ লাখ টাকা ব্লগিং থেকে আয় করা কোন ব্যাপার না।

সুতরাং তোমার সবার প্রথমে লক্ষ্য হবে টাকা আয় নয় অডিয়েন্স তৈরি করা যত ভালো অডিয়েন্স তৈরি করতে পারবে তত বেশি হবে এটাই হলো সিভিল রুল ।

এছাড়া যদি আরো অনেক কোশ্চেন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করুন তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে তারাই বেছে নেবে যাদের মধ্যে ধৈর্য্য আছে। এবং পরিশ্রম করার ক্ষমতা আছে ব্লগিং অবশ্যই কম্পিটিশন বেড়ে যাচ্ছে তার জন্য বেড়ে যাচ্ছে তার জন্য তোমার ব্লকে নতুনভাবে গড়তে হবে গড়তে হবে ব্লগিং এর সাথে সাথে ভিডিও অডিও এবং পিকচার অ্যাড করতে হবে ইউজারকে প্রচুর পরিমাণে ভালো দিতে হবে।

তবেই আগামী ১০ বছরে তুমি ব্লগিংয়ে সফলভাবে নিতে পারবে এবং মাসে ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং একটা খুবই ভালো ক্যারিয়ার। কিন্তু দিনের শেষে সব কিছু নির্ভর করবে তোমার উপর।

Leave a Comment