কিভাবে আপনি আপনার ব্লগের জন্য বেস্ট টপিক খুঁজে বার করবেন ?

অবশেষে আপনি একটি ব্লগ শুরু করতে চাইছেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোন টপিক নিয়ে লিখলে আপনার জন্য ভালো হবে তাই এই ব্লগ পোস্টে আমি দুই হাজার কুড়ি সালের বেশকিছু ব্লগিং টপিক নিয়ে আলোচনা করব এবং সবশেষে একটা ভালো পথ দেখাবো যে কোন টপিক নিয়ে কিভাবে ব্লগিং করলে আপনি একজন ভাল ব্লগার হতে পারবেন দুই হাজার কুড়ি সালে এসে ব্লগিং করাটা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে কারণ ব্লগিং প্রতিদিন ডিফিকাল্ট হতে চলেছে প্রচুর প্রচুর ব্লগ প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে কিন্তু তুমি যদি একটা ভালো টপিক নির্ধারণকরতে পারো

তাহলে ব্লগিং তোমার জন্য কিছুটা সহজ হবে তো আর দেরি না করে পুরো ব্লগ পোস্ট টা একবার পড়ে ফেলো যে কিভাবে একটা প্রফিটেবল ভালো টপিক দুই হাজার কুড়ি সালে খুঁজে পাওয়া যাবে

ব্লগিং টপিক সাধারণত তিন ধরনের হয় একটা হল মেন কোর ব্লগিং টপিক:

কোর ব্লগিং টপিক বলতে বলতে বোঝায় যে ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করা আলোচনা করা নিয়ে আলোচনা করা যেমন কিভাবে ব্লগিং করা উচিত কোন কোন টেমপ্লেট ইউজ করা উচিত কোন কোন প্লাগিন ইউজ করা উচিত কিভাবে ব্লগিং সাইট এ ট্রাফিক আনবে কিভাবে ব্লগিং সাইট এর স্পিড বাড়াবে এই সমস্ত টপিক নিয়ে আলোচনা যেমন

Shoutmeloud ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠাতা হর্ষ আগরওয়াল সবসময় ব্লগিং টপিক নিয়ে আলোচনা করে তার পুরো ওয়েবসাইট ব্লগিং নিয়ে।

আবার অপরদিকে নিল পাটেল একজন ভালো ডিজিটাল মার্কেটার। তিনি তার ব্লগ সাইটে সব সময় ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কথা বলে এবং যখন তুমি ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটে যাবে তখন দেখবে যে brian dean সবসময় এসইও নিয়ে কথা বলে।

এই সমস্ত কিছু হলো একটা টপিক তার মানে কোন একটা মানুষ যদি তার কোনো নিজের ফিল্ডের স্পেশালিস্ট হয় সেই ফিল্ড নেই শুধুমাত্র কথা বলাকে কোর ব্লগিং টপিক বলে।

টপিকে ব্লগিং করার সুবিধা হল:

অমার টপিক তোমাকে একটা পরিচিতি দেবে যদি কেউ ফেসবুকে আপনাকে জিজ্ঞেস করে যে তুমি কোন টপিকে ব্লগ লেখ তাহলে তুমি বলতে পারবে যে আমি ব্লগার এবং ব্লগিং এ ব্লগ লিখি বা কেউ যদি বলে যে তুমি কি টপিক নিয়ে ব্লগলেখক তুমি বলতে পারবে আমি ডিজিটাল মার্কেটিং বা ফাইন্যান্স রেট অফ ফুড ব্লগ লিখি তারমানে এক্ষেত্রে তোমার টপিকটি তোমাকে ডিফাইন ডিফাইন তোমার টপিকটি তোমাকে ডিফাইন করছে।

তোমার ক্রেডিবিলিটি খুব বাড়ায় তুমি একটা টপিক নিয়ে ব্লগিং করলে অডিয়েন্স পুরোপুরি ক্লিয়ার হয়ে যায় যে তুমি কোন টপিকে এক্সপার্ট ফলে তোমার ক্রেডিবিলিটি অনেক অনেক বেড়ে যায় এবং তুমি সেই টপিকের এক্সপার্ট হয়ে যায় ফলে তুমি অন্য যারা ওই টপিকে এক্সপার্ট আছে তাদের সঙ্গে সহজে কোলাবরেশন করতে পারো

কোর টপিক নিয়ে ব্লগিং করার আরেকটা সুবিধা হলো যে খুব সহজেই রিডার পাওয়া যায় যেমন তোমার যদি কবিতা গল্প উপন্যাস এসব ভালো লাগে তাহলে তুমি এইসব রিলেটেড একটা ব্লক করলে তুমি জানো যে কারা কারা ইন্টারেস্টেড এই সমস্ত ব্যাপারে সুতরাং তাদেরকে সহজেই নিয়ে একটা কমিউনিটি তৈরি করা যায়

সব থেকে বড় কথা হল বড় কথা হল কোর টপিক নিয়ে যখন তুমি ব্লগিং করবে তখন তোমার অডিয়েন্স যেহেতু যেহেতু নির্দিষ্ট তাই তুমি সহজে এটা থেকে উপার্জন করতে পারবে

তারপর আসে লাইফ স্টাইল রিলেটেড ব্লগ। এর মধ্যে পড়ে প্যারেন্টিং বিউটি ফ্যাশন খাবার ফাইন্যান্স হেলথ কারুকার্য এবং আরো অনেক কিছু লাইফ স্টাইল ব্লগ তৈরি করলে তোমাকে পিন্টারেস্ট একটা ফলোইং তৈরি করতে হবে যেমন কেউ যদি ব্লগ তৈরি করে তাহলে পিন্টারেস্ট থেকে তার ওয়েবসাইট ট্রাফিক ড্রাইভ করা খুব সহজ হবে এবং সে বিউটি রিলেটেড নানা প্রোডাক্ট সেল করতে পারবে অ্যাফিলিয়েট করতে পারবে এছাড়া মানুষজনকে বিউটি টিপস শেয়ার করতে পারবে কেউ যদি নানা প্রকার খাবার তৈরি করে সেই রেট এর ব্লগ বানায় তাহলে একটা নির্দিষ্ট রিডার খুঁজে পাওয়া যাবে সেই রিডার শ্রেণি থেকে খুব সহজেই মনিটাইজ করা যাবে।

এই সমস্ত লাইফস্টাইল রিলেটেড ব্লগ তৈরি করার সবথেকে সুবিধা হল তুমি কখনোই কনটেন্ট এর অভাব হবেনা আনলিমিটেড আছে শুধু তোমার ব্লগ যারা পড়ছে তাদেরকে কোয়ালিটি কনটেন্ট দিতে হয় কনটেন্ট দিতে হয়

যেকোনো একটা ডেমোগ্রাফিক রিলেটেড কনটেন্ট বানান

এখন ব্লগে যেভাবে কম্পিটিটিভ হয়ে গিয়েছে সে ক্ষেত্রে তুমি সমস্ত ডেমোগ্রাফিক কে টার্গেট করে ব্লগ লিখলে তোমার ব্লগিং এর এর লিখলে তোমার ব্লগিং এর সফলতা হওয়ার চান্স অনেক কমে যাবে সেক্ষেত্রে তুমি যে কোন একটা ডেমোগ্রাফিক একটা সেগমেন্ট কে টার্গেট করে ব্লগ লিখতে পারো যেমন প্রচুর উদাহরণ আছে।

যেমন তুমি যদি হেলথি রিলেটেড ব্লগ বানাও তাহলে পুরো হেলকে কভার না করে শুধুমাত্র মহিলাদের ওজন কমানো বা মহিলাদের ডায়েট প্লান নিয়ে কাজ করতে পারো তাহলে কি হবে যে তোমার অডিয়েন্স খুব কম হলেও তারা খুব টার্গেট অডিয়েন্স টার্গেট অডিয়েন্স থেকে আয় করা খুবই সহজ

যেমন তুমি যদি প্যারেন্টিং কনসালটেন্ট হও তাহলে তোমার ডেমোগ্রাফিক হবে ছোট বাচ্চা যারা তাদের বা তুমি যদি ফুড ব্লগার ব্লগার হও তাহলে তুমি আরবে গিয়ে যে চাইনিজ ফুড বা ঘরের ফুড এরকম ডিপ টপিক নিয়ে আলোচনা করতে পারো

এবার আসি যে তিনটে প্রশ্ন তোমাকে করতে হবে যে কোন একটা ব্লগিং টপিক নিয়ে লেখা শুরু করার আগে

প্রথমে হোলো তোমার ইচ্ছা বা তোমার প্যাশন কি?

ব্লগিং হল এমন একটা জিনিস যেখানে তুমি রাতারাতি সফল হবে না তোমাকে প্রতিদিন প্রতি সপ্তায় প্রতি মহান এমনকি বছর লেগে যেতে পারে সফল হতে গেলে সুতরাং তোমাকে এমন একটা টপিক নিয়ে লেখালেখি করতে হবে যে টপিক নিয়ে তুমি খুবই ইচ্ছুক না হলে তুমি খুব তাড়াতাড়ি ব্লগিং ছেড়ে দেবে তাই তোমাকে ব্লগিং শুরু করার আগে এই প্রশ্নটা করতে হবে যে কোন টপিক নিয়ে আমি লেখালেখি করতে পারব আগামী এক বছরের সবথেকে ভালো লাগে

এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন হল তুমি যে টপিক নিয়ে লেখালেখি করবে সেই টপিকের মার্কেটে ডিমান্ড আছে কিনা ?

হয়তো তোমার এমন একটা জিনিস ভালো লাগে সেই টপিকে মার্কেটে বেশি ডিমান্ড নেই বা বেশি লোক কোন জিনিস নিয়ে পড়তে চায় না তাহলে তোমার টপিক কোন কাজে দেবে না কিন্তু তুমি যদি এমন একটা টপিক নিয়ে লেখালেখি করো যে টপিকে মার্কেটে প্রচুর মাল আছে কিন্তু সে রকম ইনফরমেশন নেই তাহলে তুমি ব্লগিংয়ের খুব তাড়াতাড়ি সফল হবে

এবং লাস্ট কোশ্চেন হল যে তুমি তোমার ব্লগটাকে মানি টাইপস করতে পারবে কিনা

অনেক টপিক আছে যেখানে তুমি অনেক বেশি পয়েন্ট পেয়ে যাবে অনেক বেশি ভিজিটর পেয়ে যাবে কিন্তু সেখান থেকে মানি টাইমস পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম কিন্তু এমন অনেক টপিক আছে যে টপিকে খুব কম ভিজিটর আছে মার্কেটে ডিমান্ড আছে এবং সেই টপিক থেকে খুব সহজে অনেক টাকা ইনকাম করা যেতে পারে কারণ সেগুলো খুবই টার্গেট অডিয়েন্স তাই কোন কিছু ব্লগ টপিক সিলেক্ট করার আগে এটা ভেবে না যে তুমি ওই টপিকটা কে কিভাবে মনিটাইজ করতে পারবে দিনের শেষে ব্লগ থেকে যদি আয় না করতে পারো তাহলে সবকিছু বৃথা।

Leave a Comment