৫ টি অনলাইন ব্যবসা বাড়ি থেকে শুরু করতে পারবেন

আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে পাঁচটি আইডিয়া দেবো যে দশটি রকম ব্যবসা আপনারা অনলাইন থেকে চাইলে শুরু করতে পারবে

আমাদের মত সাধারন মানুষ অনেককেই জব করে এবং তারা সারাজীবন প্রচুর পরিশ্রম করে এবং সেই পরিমাণে তারা খুবই কম আয় করে কিন্তু আজকের এই ইন্টারনেটের যুগে অনেক কাজের সুবিধা মানুষের হাতে চলে এসেছে এবং কিছু মানুষ বাইরের দেশে থেকেও কাজ করতে পারবে এবং কিছু কিছু মানুষজন এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে কাজ করে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবি তো আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি সেই অনলাইনে দশটি ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব যেটা আপনি যেকোন জায়গায় এমনকি বাড়ি থেকে করতে পারবেন

১.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং( Affiliate Marketing)

ঘরে বসে ব্যবসা সবথেকে সহজ এবং প্রফিটেবল সহজ এবং প্রফিটেবল কাজ হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং এটা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং এটা এমন একটা ব্যবসা যেটা আপনি আপনার ফলোয়ার বেশ তৈরি তৈরি করে খুব সহজেই উপার্জন করতে পারবেন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি

আফিলিয়েট মারকেটিং হল একটি অনলাইন মার্কেটিং টেকনিক এটা হল যে আপনি কারোর প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে তাকে একটা কাস্টমার এনে দিলেন বা তার একটা প্রোডাক্ট সেল করে দিলেন এর বদলে সেই ব্যক্তি বা সেই কোম্পানি আপনাকে তার একটা কমিশন দিল।
এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা হল আপনাকে নিজেকে কোন প্রোডাক্ট তৈরি করতে হচ্ছে না এবং আপনি খুব কম খরচে এমনকি অনেক সময় বিনা খরচে আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন এখানে আপনি অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে কিছু কমিশন পান

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে

How does affiliate marketing work?

মনে করুন আপনার একটা কোম্পানি আছে বা আপনি ধরুন যেকোনো বড় কোম্পানি যেমন অ্যামাজন ফ্লিপকার্ট তাদের অ্যাফিলিয়েট অ্যাফিলিয়েট ফ্লিপকার্ট তাদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ যুক্ত হলে এবার আপনি কোন একটা প্রোডাক্ট বেছে নিয়ে সেই প্রোডাক্টটা প্রমোট করতে লাগে এবং আপনার লিংক থেকে যখন সেই প্রোডাক্টটা কেউ কিনল তখন সেই কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দিল তার মানে যখনই আপনি আপনার লিংক থেকে একটা প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন তখনই আপনার কিছু কমিশন প্রাপ্ত হবে এটাই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

২.এস ই ও কনসালটেন্ট( SEO Consultant)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আজকের যুগের অন্যতম একটি ডিমান্ড কেরিয়ার অপশন অপশন এবং আপনি এই ক্যারিয়ারে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে জায়গা থেকে কাজ করে মাসে লক্ষাধিক টাকার উপরে বেশি আয় করতে পারবেন

হোয়াট ইজ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ?

What is Search Engine Optimization?

বর্তমানে গুগলের প্রায় ওয়ান বিলিয়ন এর কাছাকাছি ওয়েবসাইট আছে আছে আছে প্রতিদিন হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে এবার আপনি যখন গুগল প্লে কোন কিছু সার্চ করেন তখন বেশ কিছু ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পেজে আসে এবার আপনি যখন একটা নতুন ওয়েবসাইট শুরু করলেন তখন গুগলের প্রথম পেজে আসতে গেলে আপনাকে যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে আপনার ওয়েবসাইট টা যেভাবে অপটিমাস করতে হবে তাকে বলে এস এই ও

এখন বড় বড় কোম্পানি বা বড় বড় সফটওয়্যার এর বিজনেস যাদের তারা অর্গানিক ভাবে ট্রাফিক আনার জন্য আনার জন্য ভাবে ট্রাফিক আনার জন্য অর্গানিক ভাবে ট্রাফিক আনার জন্য আনার জন্য ভাবে ট্রাফিক আনার জন্য আনার জন্য এসইও কনসালটেন্টের ভাড়া করে তাদের কাজই হলো যে ওয়েবসাইটকে অন্য ওয়েবসাইটে যে ওয়েবসাইটকে অন্য ওয়েবসাইটে বিট করে গুগলের ফাস্ট পেজ পেজ এ নিয়ে আসা। এসইও কনসালটেন্ট ডিমান্ড এত বেশি কেন তার কারণ হলো আপনি অর্গানিক ভাবে একটা নির্দিষ্ট ট্রাফিক নিয়ে আসছেন এতে সেল প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায় কারণ টার্গেট অডিয়েন্স থাকে এবং আপনাকে পেজ বিজ্ঞাপন এর পিছনে না ছুটে একটা long-term ব্রান্ডিং তৈরি করা যায়।

৩.ড্রপ শিপিং( Drop Shipping)

ড্রপ শিপিং কি এটা আপনি বাড়ি বসেই করতে পারবেন বসেই করতে পারবেন বাড়ি বসেই করতে পারবেন কি এটা আপনি বাড়ি বসেই করতে পারবেন বসেই করতে পারবেন বাড়ি বসেই করতে পারবেন করতে পারবেন। ধরুন আপনি কোন প্রোডাক্ট আলিবাবায় দেখলেন একটা নির্দিষ্ট দামে বিক্রি হচ্ছে আপনি কি করলেন সেই প্রোডাক্টটা দাম কিছুটা বাড়িয়ে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনি সেই প্রোডাক্টটা সেল করলে নিজের কিছু লাভ রেখে তখন আপনার ওই ওই প্রোডাক্ট সেই মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া হলো দেওয়া হলো এতে আপনাকে কিছুই করতে হলো না আপনি শুধু মার্কেটিং এর দায়িত্বে থাকে এবং আপনি নিজের প্রফিট বুঝে নিলে তার মানে কোন প্রোডাক্ট কম দামে চয়েস করে সেই প্রোডাক্টটা অন্য কোথাও বেশি পরিমাণে বেশি দামে বিক্রি করাকে এক কথায় ড্রপ শিপিং বলে।
এটার জন্য আপনাকে একটা ইকমার্স সাইট বানাতে হবে। এবং আপনি এটা শপিফাই থেকে খুব সহজেই বানাতে পারবেন এবং আপনার যে প্রোডাক্ট সেটা চয়েজ করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন রান করে আপনি একটা ভাল প্রফিট আবেল ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৪.ব্লগিং( blogging)

ইন্টারনেট থেকে আয়ের অন্যতম সহজ উপায় হলো ব্লগে ব্লগে ব্লগে আমি যে আজকে এই ব্লগ পোষ্ট টি আপনার টি আপনার পোষ্ট টি আপনার টি আপনার ব্লগ পোষ্ট টি আপনার টি আপনার টি ব্লগ পোষ্ট টি আপনার টি আপনার সাথে শেয়ার করছি এটাও কিন্তু ব্লগে

ব্লগিং টা হল হল কি জিনিস?

What is blogging?

আপনি আপনার যে বিষয়ে ভালো লাগে লাগে সেই বিষয় নিয়ে ইন্টারনেটে লেখালেখি শুরু করতে পারেন ইন্টারনেটে লেখালেখি শুরু করতে গেলে আপনাকে প্রথমে একটা ডোমেইন কিনতে হবে এবং তারপরে আপনি সেটা চাইলে ফ্রী প্ল্যাটফর্ম প্ল্যাটফর্ম ফ্রী প্ল্যাটফর্ম ব্লগার এখানে করতে পারে আবার পেট প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করতে পারে সেজন্য আপনাকে একটা হোস্টিং কিনতে হবে

এবার আপনি ব্লগিং করে নিজের কোনো পছন্দের টপিক খেলাধুলা নিউজ প্রডাক্ট রিভিউ গল্প লাইফস্টাইল রান্নাবান্না প্রভৃতি সমস্ত কিছু শেয়ার করতে পারেন এবং নিজের একটা অডিয়েন্স বিল্ড করতে পারে এবং সেটাকে খুব সহজেই মনিটাইজ ও করতে পারে

৫.ওয়েব ডিজাইন( Web Design)

বর্তমানে প্রতিটা ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট দরকার কারণ এখন প্রতিটা ব্যবসা অনলাইনে আসার চেষ্টা করছে তাই প্রতিদিন প্রচুর প্রচুর ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে এখন আপনি যদি ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এ কাজটা খুব ভালো ভাবে শিখে নেন তাহলে আপনি নিজের ঘরে বসে ওয়েব ডিজাইনের একটা ব্যবসা শুরু করতে পারেন এটা একটা সার্ভিস বিজনেস হবে যেখানে আপনি কোন দোকান বা কোন ডাক্তার বা কোন বড় কোম্পানির ওয়েবসাইট বা স্কুল-কলেজ প্রভৃতির ওয়েবসাইট ডিজাইন করার বদলে তাদের থেকে একটা মিনিমাম অ্যামাউন্ট চার্জ করলে

Leave a Comment