৫ টি ফাইন্যান্সিয়াল টিপস ২০ থেকে ৩৫ বছরের মানুষদের জন্য

আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমি পাঁচটি ফাইন্যান্সিয়াল টিপস দিতে চলেছে এই ব্লগ টি 20 থেকে 35 বছর বয়সের সমস্ত মানুষের জন্য খুবই উপকারী হতে চলেছে এই বয়সে আমরা আমাদের জীবনের ক্যারিয়ারে কি করবো তা বেশিরভাগটাই নির্ধারণ করে এই বয়সের উপর আমরা আমাদের সারাজীবনে ভবিষ্যতে প্ল্যান করে থাকি।

যখন সময় থাকে তখন আমরা এই ফিনান্সিয়াল ভুল গুলো বুঝতে পারি না।কিন্তু যখন সময় চলে যায় তখন আমরা পিছনে ফিরে তাকাই আর ভাবি ইস এই ভুল গুলো না করলে জীবন খুব ভালো হতো।

অল্পবয়সে আমাদের ফিনান্সিয়াল নলেজ খুব কম থাকে এই কারণে এত ভুল করে ফেলি যে সারাজীবন তার মাশুল দিতে হয়।
তাই আজকে 10 টি টিপস দিতে যাচ্ছি যেগুলো আপনাকে প্রচুর সাহায্য করবে।

1.পার্সোনাল ফিন্যান্স এর উপর পুরো নিজের কন্ট্রোল এবং সেভিংস করার সঠিক পদ্ধতি:

পার্সোনাল ফাইন্যান্স এর মানে হল নিজের টাকা পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ নিজের টাকা পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ মানে হল নিজের টাকা পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ নিজের টাকা পয়সাকে সঠিক ভাবে ম্যানেজ সঠিক ভাবে ম্যানেজ করা। যে কারণে আপনি জীবনে কোনো রকম ফাইনান্সিয়াল সমস্যায় না ফেঁসে যান।

এবং টাকা বাঁচানোর সব থেকে ভালো উপায় হল ইনকাম থেকে সেভিংস বাদ দিলে যা বাকি থাকে তাহলো খরচ।
Income- Savings= Expense.
মানে আপনি যত টাকা বাঁচাতে সেটা নির্ভর করছে আপনি কত টাকা আয় করছেন তার থেকে দশ পার্সেন্ট টাকা সব সময় বাঁচিয়ে রাখুন এবং সেটা বাদ দিয়ে যা টাকা থাকে সেটা আপনি খরচ করুন।

2.আপনি যে টাকা আয় সেভিংস করছেন সেই টাকা সঠিকভাবে খুবই সেভ জায়গায় ইনভেস্ট করুন

আপনি যে টাকা বাঁচানোর শুরু করছেন সেই টাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভালো জায়গায় সুরক্ষিত নিবেশ করুন করুন নিবেশ করুন। আপনার টাকা জমানো আপনার প্রথম দায়িত্ব হলে সেই টাকা যাবে কম না হয় এবং সুরক্ষিত থাকে সেটা আপনার দ্বিতীয় দায়িত্ব।
ওয়ারেন বাফেট বলেছেন সুরক্ষিত ইনভেস্টমেন্ট এর দুটো নিয়ম আছে:

  1. Never loose your money
  2. Always remember the rule number 1.

3.পাওয়ার অফ কমপাউন্ড এফেক্ট:

পাওয়ার অফ কম্পাউন্ড এফেক্ট এফেক্ট কে দুনিয়ার অষ্টম আশ্চর্য বলা হয়। ফাইন্যান্স ওয়ার্ল্ডে এই নিয়মটা কি খুব ভালভাবে বোঝার পরে কি খুব ভালভাবে বোঝার পরে এই নিয়মটা কি খুব ভালভাবে বোঝার পরে কি খুব ভালভাবে বোঝার পরে খুব ভালভাবে বোঝার পরে আপনি একজন ভাল ইনভেস্টর হতে পারবে হতে পারবে।

পাওয়ার অফ কমপাউন্ড এফেক্টে এ সময় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। যখন জীবনের শুরুতে আপনার পাওয়ার অফ কমপাউন্ড এফেক্ট এর মানে বুঝতে পারেন মানে বুঝতে পারেন এর মানে বুঝতে পারেন তখন আপনি খুব ছোট বয়স থেকেই ভালোভাবে ইনভেস্ট করতে পারবেন এবং এই পাওয়ার অফ কমপাউন্ড এফেক্টের লাভ আপনি বেশি পাবেন।

ধরলেন আজ আপনার বয়স কুড়ি বছর। এবং আপনি 60 বছর বয়সে অবসর নিতে চান। তাহলে আপনার কাছে 40 বছর সময় আছে এবং আপনি যদি এই চল্লিশ বছরে প্রতিমাসে 2000 টাকা সেভ করেন যাতে আপনি 15% কম্পাউন্ড ইফেক্টের সুদ পেতে পারেন।
তাই যখন আপনি যখন 60 বছর বয়সে অবসর নেবেন তখন প্রতি মাসে মাত্র 2 হাজার টাকা জমানো অভ্যাসটা আপনাকে প্রায় তিন কোটি টাকা দিয়ে দেবে।

কম্পাউন্ড এফেক্টের লাভ ওঠানোর জন্য জন্য লাভ ওঠানোর জন্য জন্য আপনাকে অনেক লম্বা সময় ধরে ইনভেস্ট করতে হয়।

৪.আলাদা আলাদা ইনকাম টাইপ কে কে ইনকাম টাইপ কে কে বোঝা

আমাদের স্কুলে কলেজে ছোটবেলা থেকে একটা জিনিসই কেবল শেখানো হয়ে থাকে সেটা হল কিভাবে পড়াশোনা করে করে কিভাবে পড়াশোনা করে একটা চাকরি পাওয়া যাবে এবং আমাদের ছোটবেলা থেকে এটা বলা হয় যে পয়সা আয় করার জন্য প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়।

এই দুনিয়ায় তিন প্রকারের ইনকাম আছে

  1. অ্যাক্টিভ ইনকাম: এর জন্য আপনাকে নিয়মিত কাজ করতে হয়। যেমন চাকরি সেলফ এমপ্লয়মেন্ট।
  2. প্যাসিভ ইনকাম: এই ইনকামের জন্য আপনাকে কাজ করতে হয় না এর বদলে এর বদলে না এর বদলে আপনি যে সিস্টেম তৈরি করেছেন সেই সিস্টেম আপনাকে উপার্জন করে দেয়।
    যেমন বাড়ি ভাড়া থেকে উপার্জন।
    বই সেল করা থেকে উপার্জন।
    কোনো অনলাইন ব্যবসা যেমন ব্লগিং ,এফিলিয়েট মার্কেটিং ।

তৃতীয় হলো পোর্টফলিও ইনকাম ইনকাম পোর্টফলিও ইনকাম:
এখানে আপনাকে বিভিন্ন জায়গায় ইনভেস্ট করে সেখান থেকে উপার্জন করতে হয়।

যেমন স্টক মার্কেট ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল মার্কেট ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ডিপোজিট মিউচুয়াল ফান্ড ,debt ফান্ড

৫.বাজেট বানানো:

আপনি কত টাকা আয় করছেন কত টাকা খরচ করছেন সেটার একটা হিসাব রাখুন এবং আপনি এর জন্য একটা নিজের বাজে তৈরি করতে পারেন যেখানে আপনি আপনার বাজেটের অনুযায়ী কোন জিনিস পত্র কিনবেন। এর ফলে সে যে সমস্ত জিনিস আপনার দরকার নেই সেই সমস্ত জিনিসের বাজে খরচ থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন।

Leave a Comment